অদৃশ্য হাত আর হারানো সুরের রহস্য
রাত গভীর হলে, যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, সুরমণ্ডল একা একা বেজে উঠত। অথচ কেউ ছিল না তার সামনে। কে বাজাতো সেই সুর? কে ছিল সেই অদৃশ্য হাত?
Continue Readingরাত গভীর হলে, যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, সুরমণ্ডল একা একা বেজে উঠত। অথচ কেউ ছিল না তার সামনে। কে বাজাতো সেই সুর? কে ছিল সেই অদৃশ্য হাত?
Continue Readingএক প্রত্যন্ত গ্রামের প্রাচীন এক আয়না নাকি ভবিষ্যৎ দেখাতে পারত। গ্রামের লোকেরা পারতপক্ষে সেই আয়নার সামনে যেত না। কিন্তু একদিন এক যুবক কৌতূহলবশত সেই আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
Continue Readingচাঁদের আলোয় ভরা এক রাতে, ছোট্ট জোহরা দেখল এক আশ্চর্য তারা। তারাটি যেন নেমে এল তার আঙিনায়! কাছে গিয়ে দেখল, তারাটি আসলে এক অদ্ভুত ফুল, যা রাতের আঁধারেও জ্বলজ্বল করে।
Continue Readingআজকের দিনে, যখন প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে, মিতুলের হাতে আসে এক অদ্ভুত যন্ত্র। সেই যন্ত্র তাকে নিয়ে যায় এক অন্য জগতে, যেখানে সে দেখে ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে।
Continue Readingএক পুরনো ট্রাঙ্ক থেকে পাওয়া গেল শতবর্ষী নানি দাদুর প্রেমপত্র। কিন্তু তাতে লেখা ভবিষ্যৎ! আর ঠিক তখনই, এক অদ্ভুত আলোয় ধাঁধিয়ে গেল চারপাশ।
Continue Reading২৬ জুলাই ২০২৬, ঢাকার রাজপথে দেখা মিলল এক বিড়ালের, যার লেজে জড়ানো এক অদ্ভুত যন্ত্র। সে নাকি এসেছে ভবিষ্যৎ থেকে, আর তার কাছে আছে ভবিষ্যতের ঢাকা শহরের রোমাঞ্চকর সব গল্প।
Continue Readingভুল ট্রেনের সেই ঝাঁকুনি আমাকে টেনে নিয়ে গেল সুদূর অতীতে। এক মুহূর্তের ভুলে আমার আজকের পৃথিবীটাই যেন অচেনা হয়ে গেল। এই অচেনা সময়ে আমি কি পথ খুঁজে পাব?
Continue Readingমেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক প্রাচীন মন্দিরের গোপন দরজা খুলে দিল অয়ন, এক অসম সাহসী অভিযাত্রী। সে পৌঁছে গেল সময়ের ওপারে, এক অচেনা জগতে যেখানে নিয়তি নির্ধারিত হত এক রহস্যময় জাদুকরের ইশারায়।
Continue Readingমেঘেরা কেবল জল ধরে রাখে না, তাদের গভীরে লুকিয়ে থাকে হাজারো রঙের এক জাদুকরী জগৎ। সেখানেই বাস করত রংরা, যারা কেবল মানুষের চোখে নয়, মেঘের ভাষাতেও কথা বলত।
Continue Readingএক নিভৃত গ্রামের এক জাদুকর তার একমাত্র জাদুর আয়নাটিতে হারিয়ে ফেলেছিল এক হারিয়ে যাওয়া সুর। সেই সুরের টানে সে পাড়ি দেয় এক অজানা পথে, যেখানে অপেক্ষা করছিল বিস্ময়কর সব ঘটনা।
Continue Reading