বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কিছু পদার্থ, যার 1 গ্রামের মূল্য দিয়ে কেনা যাবে একটি শহর

অজানা তথ্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা

বিশ্বের সবচেয়ে দামি জিনিস কি? এই প্রশ্নটি শোনার সাথে সাথেই অনেকের মাথায় হয়তো আসতে পারে হীরার কথা। আমাদের প্রথিবীর অধিকাংশ মানুষই সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু বলতে হীরের কথাই জেনে আসছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের পৃথিবীতে কি হীরার চেয়ে মূল্যবান কোন বস্তু নেই? আপনারা জেনে অবাক হবেন যে আমাদের এই পৃথিবীতে হীরার চেয়েও মূল্যবান কিছু বস্তু রয়েছে এবং এই বস্তু গুলোর মধ্যে কয়েকটি বস্তুর 1 গ্রামের মূল্য দিয়ে একটি বড় শহর ক্রয় করা যাবে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক এমনই 5 টি বস্তু সম্পর্কে যার মূল্য হীরার চেয়েও বেশি।

 

টেফিটঃ দেখতে অনেক সুন্দর এবং হীরার থেকে বেশি দুর্লভ পদার্থ অনেক বেশি দামি। এই পদার্থের এক গ্রামের মূল্য প্রায় 17 লক্ষ টাকা। এই পদার্থ আলাদা আলাদা রঙের হয়ে থাকে। এই পদার্থ শ্রীলঙ্কায় পাওয়া যায়।

ট্রিটিয়ামঃ হাইড্রজেন বক্সে যে গ্যাস দেওয়া হয়ে থাকে সেটা ট্রিটিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়। এই ট্রিটিয়ামের 1 গ্রামের মূল্য 25 লক্ষ টাকারও বেশি। পৃথিবীর কোন ল্যাবে এটা কৃত্রিম ভাবে বানানো সম্ভব হয়নি। ট্রিটিয়াম প্রাকৃতিক ভাবে পৃথিবীর কিছু জায়গায় পাওয়া যায়। ট্রিটিয়ামের সামান্য পরিমান পানি থেকেও বের করা হয়েছে। ধারণা করা হয় কোন ল্যাবে যদি কেউ 1 কেজি ট্রিটিয়াম বানানোর চেষ্টা করে তাহলে তাকে 100 কোটি টাকারও বেশি খরচ করতে হবে। এটি একটি রেডিও এক্টিভ এলিমেন্ট কিন্তু অন্য সব রেডিও এক্টিভ পদার্থ থেকে ট্রিটিয়াম মানুষের কম ক্ষতি করে। এই পদার্থটি রিসার্চ করতে এবং হাতিয়ার বানাতে ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞানীদের মতে ট্রিটিয়ামের সামান্য পরিমান কোন লাইটে দওয়া হলে লাইটটি লাগাতার 25 বছর আলো দিতে পারবে।

ক্যালিফোর্নিয়ামঃ এই পদার্থের মাত্র 1 গ্রামের মূল্য 700 মিলিয়ন ডলার। 1950 সালে ক্যালিফোর্নিয়াম একটি ল্যাবে তৈার করা হয়। এই পদার্থটি মানুষের জন্য অনেক বিপদজনক বলে মনে করা হয়। কিন্তু এই পদার্থ দ্বারা মানুষের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। ব্রেইন ক্যান্সারের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াম ব্যবহার করা হয়।

হোয়েল বমিটিংঃ এটি হলো তিমি মাছের বমি। পৃথিবীর কিছু পারফিউমের ব্রান্ড তাদের পারফিউমে আরো সুগন্ধি ‍যুক্ত করার জন্য এটি ব্যবহার করেন।

অ্যান্টিমেটারঃ বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে সবচেয়ে দামি জিনিস হলো অ্যান্টিমেটার। এটির 1 গ্রামের মূল্য 177 ট্রিলিয়ন ডলার। পৃথিবীর সব বড় বড় বিজ্ঞানীরা মিলে ল্যাবে এটির খুব কম পরিমাণে তৈরি করেছেন। কিন্তু আজব করা বেপার হলো এই অ্যান্টিমেটার কিন্তু সব জায়গায়ই রয়েছে কিন্তু কেউ এটা দেখতে পান না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *