রাতারাতি ভাইরাল হওয়া কোরবানির কিছু গরু

সাম্প্রতিক তথ্য

মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব গুলোর মধ্যে একটি হলো ঈদুল আযহা। আর এই ঈদুল আযহায় কোরবানির জন্য প্রচুর পরিমানে পশু ক্রয় বিক্রয় করা হয় যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গরু। প্রতিবছরই আমাদের দেশে এসময় বিভিন্ন ধরনের গরু দেখা যায়। প্রতি বছর কোরবানির সময় বিক্রির জন্য খামারিরা বাইরে থেকে গরু আমদানি করেন এবং পরিচর্যার মাধ্যমে অনেক সুন্দর করে তোলেন যা দেখে সাধারণ জনগণ অবাক হতে বাধ্য। আর এই গরুগুলোর ছবি বা ভিডিও রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। আজ আমরা জানবো এমন 10টি গরুর সম্পর্কে যেগুলো এবছর রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে।

 

মেসিঃ এই গরুটির  মালিক নেত্রকোনার আজিজুর রহমান। এই গরুটির ওজন মাত্র ৩৭ কেজি, উচ্চতা ২৭ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্য ২৪ ইঞ্চি।গরুটি ছোট হলেও খুব চঞ্চল প্রকৃতির যার কারণে আজিজুর রহমান ভালোবেসে গরুটির নাম দিয়েছেন মেসি। আজিজুর রহমান ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করতে চান মেসিকে।

পাবনার রাজাঃ এই গরুটির মালিক পাবনার রাজু নামের একজন খামারি। এটি হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গরু। উচ্চতা ৬ ফিট এবং দৈর্ঘ্যে ১০ ফিট সাইজের বিশাল আকৃতির এই গরুটির ওজন প্রায় ১২০০ কেজি। গরুটির মালিক ভালোবেসে নাম দিয়েছেন পাবনার রাজা।

সুপার বসঃ এই গরুটির মালিক যশোরের আজমত। বর্তমানে এই গরুটির ওজন ১৩০০ কেজি। আজমত সাহেব গরুটির নাম দিয়েছেন সুপার বস। আজমত সাহেব গরুটির দাম চেয়েছেন ৭ লক্ষ টাকা।

হিরো আলমঃ এই গরুটির মালিক টাঙ্গাইলের একজন প্রবাসী। এই গরুটির ওজন ৩১ মন। এই গরুটির নাম রাখা হয়েছে হিরো আলম। এই গরুটি হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাড়। গরুটির বয়স প্রায় ৪ বছর, লম্বায় সাড়ে ৮ ফুট এবং এর উচ্চতা ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। গরুটির মালিক এই গরুর দাম চেয়েছেন ১২ লক্ষ টাকা।

নয়া দামানঃ গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একজন খামারি এই গরুটি লালন পালন করছেন। এই গরুটির ওজন ৩০ মন। এই গরুটির দাম চাওয়া হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। এই গরুটির বয়স ৪ বছর, উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট এবং লম্বায় ৯ ফুট।

যোদ্ধাঃ এই গরুটির মালিক মানিকগঞ্জের ইতি নামের একজন মেয়ে। ইতি প্রতিবছরই কুরবানির জন্য এমন গরু তৈরি করেন যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। গত বছর ইতির ভাগ্যরাজ নামের গরুটি ভাইরাল হয়েছিলো। এবছর ইতির গরুটির নাম দিয়েছেন যোদ্ধা। গরুটির ওজন ৩০ মন।

সাকিব খানঃ এই গরুটির মালিক টাঙ্গাইলের জুবায়ের ইসলাম জিসান নামের একজন খামারি। এই গরুটি সাদা রংঙের হওয়ায় খামারি নাম দিয়েছেন সাকিব খান। গরুটি লম্বায় ৭ ফুট, ওজন প্রায় ৩১ মন, বয়স ২ বছর ৭ মাস। খামারি জিসান সাহেব এই গরুটির দাম চেয়েছেন ১৩ লক্ষ টাকা।

পাবনার বসঃ এই গরুটি পাবনার উত্তর বঙ্গের সবচেয়ে বড় গরু। নাম দেওয়া হয়েছে পাবনার বস। এই গরুটির ওজন প্রায় ৩৮ মন, উচ্চতা ৬ ফুট, লম্বা ১০ ফুট। বর্তমানে গরুটির মালিক এটির দাম চেয়েছেন ২৫ লক্ষ টাকা।

 

জন সিনাঃ এটি কিশোরগঞ্জের খামারি বোরহান উদ্দিনের গরু। বোরহান উদ্দিন রেসলার জন সিনাকে পছন্দ করায় গরুর নাম দিয়েছেন জন সিনা। বর্তমানে এই গরুটির ওজন প্রায় ৪০ মন, উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট, লম্বায় ৯ ফুট। বোরহান উদ্দিন গরুটির দাম চেয়েছেন ৩০ লক্ষ টাকা।

ব্লাক ডাইমন্ডঃ এই গরুটির মালিক মুন্সীগঞ্জের একজন খামারি। এই গরুটির উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি এবং ওজন প্রায় ৪০ মন।

 

ধর্মীয় ভাবে কোরবানির গরুর নাম মানুষের নামে রাখাটা কতোটা যুক্তি বহন করে?

মন্তব্য করুন